sponsor

sponsor

Slider

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Wikipedia

Search results

recent

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Search This Blog

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Archive

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Latest Posts

Contact


Breaking

Fashion

Music

News

Sports

Food

Technology

Featured

Videos

Contact Form

Name

Email *

Message *

Translate

Popular

Ad 728x90

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

» »Unlabelled » মধ্যরাতে কাদের মোল্লার ফাঁসি, শেষ দেখা করলেন স্বজনরা

জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি আজ  রাত ১২টার পর কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু।

আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের বাসভবনে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানান। এসময় কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন। আর বিলম্ব করার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, কাদের মোল্লার পক্ষের আইনজীবীরা রিভিউ পিটিশনের সুযোগের নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। তারা চেম্বার জজের কাছে যাচ্ছেন। কিন্তু আইনে এ সুযোগ একদমই নেই।

কামরুল আরও বলেন, দুই জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কাদের মোল্লার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। কিন্তু তিনি তা করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দেয়া ফাঁসির রায় কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা আর নেই।

সিনিয়র কারা তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) ফরমান আলী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হবে। 

কাদের মোল্লার ফাঁসি আজই কার্যকর করা হবে- এমন খবর শুনে  রিভিউ আবেদন নিয়ে বিচারপতি এস এম হোসেইনের বাসভবনে যাচ্ছেন তার আইনজীবীরা। অ্যাডভোকেট  ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে আইনজীবীদের একটি দল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই আবেদন নিয়ে রওয়ানা হন।

এর আগে স্বারাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে ফাঁসি সংক্রান্ত সরকারের একটি সম্মতিপত্র বিকেলে কারাকর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। তারপরই কারাকর্তৃপক্ষ কাদের মোল্লার পরিবারকে দেখা করার জন্য কারাগারে যেতে বলেন। কারা কর্তৃপক্ষের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কাদের মোল্লার সঙ্গে শেষ দেখা করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছেছেন তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা। মঙ্গলবার রাত সাতটার দিকে জেলগেটে পৌঁছান তারা। এর আগে সন্ধ্যা ছয়টার পর তারা দু’টি গাড়িতে করে কারাগারের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে রওনা হন।

কাদের মোল্লার ছেলে হাসান জামিল জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা কারাগারের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে রওনা হন। এই দলে  তার মা, আরও দুই ভাই, দুই বোন এবং মামাসহ মোট ১৬ জন রয়েছেন।   

এর আগে সকালে ফরমান আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেদিন ওয়ারেন্ট পেয়েছি, সেদিন থেকে সাত দিন কার্যকর হবে। ৮ তারিখ থেকে কাউন্ট ডাউন, সাত দিন। সরকারের আদেশ-নির্দেশের অপেক্ষায় আছি।’  

তবে, কাদের মোল্লার আইনজীবী  ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক দাবি করেন, জেলকোড অনুযায়ী মৃত্যু পরোয়ানা জারির পর ১৫ দিন পর্যন্ত সময় থাকে। ৮ তারিখে মৃত্যু পরোয়ানা ইস্যু হয়েছে, তাই ২৩ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে। ২১ বা ২২ তারিখে তার সঙ্গে আবার দেখা করে প্রাণভিক্ষার আবেদনের বিষয়ে তার মতামত জানা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের মোল্লার আইনজীবী বলেন, তার মক্কেল মানসিকভাবে বিচলিত হননি। তিনি মনে করেন, রাজনৈতির কারণে তাকে ফাঁসি দেয়া হচ্ছে।



শহীদি মৃত্যু কামনা কাদের মোল্লার

জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা বলেছেন, আজীবন শহীদি মৃত্যু কামনা করেছি। অনেক আগে ছাত্রজীবনে শহীদ সাইয়েদ কুতুবের শাহাদাতের ইতিহাস বলতে গিয়ে অধ্যাপক গোলাম আজম আমার গলায় স্নেহের হাত রেখে বলেছিলেন, একদিন এই ফাঁসির দঁড়ি তোমার গলায়ও পড়তে পারে। মঙ্গলবার আইনজীবীরা দেখা করতে গেলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই জামায়াত নেতা এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী প্রতিনিধি দলের সদস্য এডভোকেট তাজুল ইসলাম। কোন অপরাধে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে কাদের মোল্লা আরও বলেন, আব্দুল কাদের মোল্লা কোন অপরাধ করেনি। তোমরা নিশ্চিত থাকো, তার মাথা উঁচু ছিল- উঁচুই থাকবে। তোমরা কখনো আমার চোখে পানি দেখবে না ইনশাআল্লাহ। 

গত ৫ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে কাদের মোল্লাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর আবদুল কাদের মোল্লাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-২ থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

গত রোববার আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই দিন তা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

২০১০ সালের ১৩ জুলাই অন্য একটি মামলায় কাদের মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ১৪ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তদন্ত শুরু হয় ২১ জুলাই। গত বছরের ২৮ মে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ৩ জুলাই থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আনা ৬টি অভিযোগের মধ্যে ২টিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩টিতে ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দেন।

এ রায় প্রত্যাখ্যান করে তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শাহবাগে গড়ে ওঠে গণজাগরণ মঞ্চ। মূল আইনে সাজা বাড়াতে সরকার পক্ষের আপিলের বিধান না থাকলেও আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সমান সুযোগ রেখে ১৭ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) সংশোধন বিল, ২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হয়। আগের আইনে সরকারের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ ছিল না। রায় ঘোষণার ২৭ দিনের মাথায় ছয় অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে দেয়া সাজাকে অপর্যাপ্ত দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে আপিল করে সরকার। পাশাপাশি একটি অভিযোগ থেকে তাঁকে দেয়া খালাসের আদেশও বাতিলের আরজি জানানো হয়। অপরপক্ষে, ট্রাইব্যুনালে দেয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বাতিল ও সাজা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আপিল করে আসামীপক্ষ। গত ১ এপ্রিল থেকে শুনানি শুরু হয়।

আসামি ও সরকার-উভয় পক্ষের দু টি আপিলের ওপর ৩৯ কার্যদিবস শুনানি শেষে ২৩ জুলাই আপিল বিভাগ রায় অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। শুনানি শেষ হওয়ার ৫৪ দিনের মাথায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের সাজা বাতিল করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আপিল বিভাগ।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply